রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং
জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদের পাতায় আপনাকে স্বাগতম
অপহরণের ৬ বছর আজ, স্বামী জীবিত বিশ্বাস স্ত্রীর

অপহরণের ৬ বছর আজ, স্বামী জীবিত বিশ্বাস স্ত্রীর

অপহরণের ৬ বছর আজ, স্বামী জীবিত বিশ্বাস স্ত্রীর

Spread the love

নিজস্ব প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ী বাছেদ আলমের খোঁজ মেলেনি ৬ বছরেও। নিখোঁজের পর ফতুল্লা থানায় অপহরণ মামলা হয়। গ্রেফতার হয় অভিযুক্ত চারজন। তারাও জামিনে মুক্ত হয়েছেন। চলে গেছেন আত্মগোপনে। কিন্তু বাছেদের খোঁজ মেলেনি। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার তুষারধারা এলাকার বাসিন্দা বাছেদ পুরান ঢাকার ইসলামপুরে কেমিক্যালের ব্যবসা করতেন। ২০১৩ সালের ১৩ মার্চ বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। স্ত্রী পুতুল চৌধুরীর বিশ্বাস তার স্বামী বাছেদ আলম এখনো জীবিত।

পুতুল চৌধুরী জানান, নিখোঁজ হওয়ার সময় বাছেদের ৩টি মোবাইল ফোন নম্বরের মধ্যে বাংলালিংক ও এয়ারটেল নম্বর দুটি বন্ধ রয়েছে। ২০১৭ সালের ২৩ জানুয়ারিতে হঠাৎ করেই সক্রিয় হয়ে ওঠে বাছেদের ব্যবহৃত রবি নম্বরটি। পরে ওই নম্বরে যোগাযোগ করা হয়। তখন নম্বরটি ব্যবহার করছিল এক নারী। যার অবস্থান ছিল চট্টগ্রামে। বিষয়টি র‌্যাব-১১ এর তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছিল। এছাড়া ২০১৮ সালের ২৯ আগস্ট বাছেদের ব্যবহৃত ফেসবুক একাউন্টও সক্রিয় হয়ে উঠেছিল।

জানা গেছে, মামলার পর ওই বছরের ১৭ মার্চ দুইটি মোবাইল নম্বর থেকে বাছেদের মুক্তির জন্য ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। বাছেদ তখন নজরুলের জিম্মায় বলে জানানো হয়। বাছেদের বাড়ির অদূরে সাদ্দাম মার্কেট এলাকার বাসিন্দা নজরুল। একটি মোটরসাইকেল বিক্রি নিয়ে নজরুল-বাছেদের বিরোধ হয়। বাছেদের সঙ্গে টাকা নিয়ে বিরোধ ছিল মামাতো ভাই খোকনেরও।

৬ মার্চ বাছেদ ধারের ১৫ লাখ টাকা ফেরত চাওয়ায় খোকনের সঙ্গে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে খোকন বাছেদকে হুমকি দেন, তোকে দুনিয়ায় থাকতে দেব না। হুমকির ৭ দিনের মাথায় বাছেদ অপহৃত হন। বাছেদ অপহরণের পর পুলিশ নজরুল, তার স্ত্রী আয়েশা ও শ্যালিকা লাকিকে গ্রেফতার করে। লাকিই নজরুলের কথায় বাছেদের পরিবারকে ফোন করে মুক্তিপণ চেয়েছিল।

পরে এ তিনজনই জামিনে মুক্তি লাভ করেন। নজরুল জামিনে মুক্ত হয়ে পালিয়ে যান। মামলার বাদী নিখোঁজ বাছেদের বাবা অহিদুল আলম ২০১৪ সালের ৯ জুলাই মারা যান। এরপর থেকে কার্যত মামলার অগ্রগতি থমকে গেছে। বাছেদ বেঁচে আছেন, তিনি শীঘ্রই ফিরে আসবেন- এমন আশায় বুক বেঁধে আছেন দুই সন্তানের জননী পুতুল চৌধুরী।

ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১১ এর এসআই আমিনুল ইসলাম জানান, বাছেদ আলম অপহরণ মামলার তদন্ত চলছে। বাছেদের মোবাইল এবং ফেসবুক সক্রিয় পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন তার স্ত্রী পুতুল চৌধুরী। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। তবে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি নেই।


Comments are closed.




© All rights reserved © 2018 sangbaderpata.Com
কারিগরি সহায়তায় ইঞ্জিনিয়ার বিডি