বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং
জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদের পাতায় আপনাকে স্বাগতম

একজন তারা মিয়া

একজন তারা মিয়া

Spread the love

জয়ন্ত ভূষণ রায়: শাহবাগ মোর থেকে বেইলি রোড যাওয়ার জন্য রিক্সা খুজছিলাম। কেউ ই ১০০ টাকার কমে যেতে চাচ্ছিল না। হঠাৎ একজন ৬০ টাকা চাইলেন, আমি ৫০ বললাম। তিনি আসতে রাজি হলেন। আমি তখনও জানতাম না কি অপেক্ষা করছিলো আমার জীবনে। অন্যমনস্ক থাকায় ওনার দিকে তাকানো হয় নাই। কাকরাইল মোড়ে এসে খেয়াল করলাম ওনার এক পায়ে স্যান্ডেল, আরেক পা খালি। আশ্চর্য হওয়ার তখনও অনেক বাকি। একটু পরেই খেয়াল করলাম উনি দুই পা”য়ে না, এক পা দিয়ে রিক্সা চালাচ্ছেন। আমার বুকের বা পাশ টা কেপে উঠলো। তারপরে খেয়াল করলাম শুধু এক পা নয় ওনার একটা হাত ও অচল। এবার আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারছিলাম না। নিজেকে অপরাধী মনে হতে লাগলো। আমি রিক্সা থামিয়ে নেমে যেতে চাইলাম। উনি পা জরিয়ে ধরলেন। বললো না বাবা, নামবেন না। সবাই নেমে গেলে ছেলে মেয়ে বউ নিয়ে কি খাবো? উত্তর দিতে পারি নাই। শুধু হু হু করে কেঁদেছি।
যখন ওনার সব খোঁজ খবর নিলাম। ফোন নাম্বার একাউন্ট নাম্বার নিয়ে বললাম, আপনার জন্য কিছু করার চেষ্টা করবো। উনি আমাকে জরিয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদতেছিলেন। ওনার ঘর্মাক্ত শরীরকে একটা বারের জন্য দূরে সরাতে ইচ্ছা করে নাই। মনে হচ্ছিলো নিজেকে শুদ্ধ করছি।

ওনার নাম তারা মিয়া। বারি নেত্রকোনা’র দুর্গাপুর এ। এক ছেলে আর এক মেয়ে। মেয়েটা অনার্স ১ম বর্সে পরে। আর ছেলেটা ৯ম শ্রেনীতে। ওনার ইচ্ছা দুর্গাপুর এ একটা চা’য়ের দোকান দেয়া। তাতে নাকি ১৫/২০ হাজার টাকা দরকার। উনি রিক্সা চালিয়ে ৪৫০০ টাকা জমিয়েছেন। আমরা তো অনেক ভাবেই কতো টাকা খরচ করি। এবার না হয় মানবতার জন্য কিছু করি।

(৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সাহায্য গ্রহণ করে, জানুয়ারি মাসে ওনার হাতে তুলে দিতে চাই। বিচ্ছিন্নভাবে না দিয়ে সবার সাহায্য একত্রিত করে দিতে চাই। তাই কেউ যদি সাহায্য করতে চান তাহলে এই ০১৭২২০২৫১১৭ নাম্বারে বিকাশ করে দিবেন এবং কমেন্ট করে বা ইনবক্সে জানিয়ে দিবেন প্লিজ)

জয় হোক মানবতার। জয় হোক তারা মিয়াদের ।

ভিডিওটা করেছি শুধুমাত্র ওনার অবস্থা টা বোঝানোর জন্য।

সহ সম্পাদক সংবাদের পাতা## জয়ন্ত ভূষণ রায়

একজন তারা মিয়া…….❤❤❤শাহবাগ মোর থেকে বেইলি রোড যাওয়ার জন্য রিক্সা খুজছিলাম। কেউ ই ১০০ টাকার কমে যেতে চাচ্ছিল না। হঠাৎ একজন ৬০ টাকা চাইলেন, আমি ৫০ বললাম। তিনি আসতে রাজি হলেন। আমি তখনও জানতাম না কি অপেক্ষা করছিলো আমার জীবনে। অঅন্যমনস্ক থাকায় ওনার দিকে তাকানো হয় নাই। কাকরাইল মোড়ে এসে খেয়াল করলাম ওনার এক পায়ে স্যান্ডেল, আরেক পা খালি। আশ্চর্য হওয়ার তখনও অনেক বাকি। একটু পরেই খেয়াল করলাম উনি দুই পা"য়ে না, এক পা দিয়ে রিক্সা চালাচ্ছেন। আমার বুকের বা পাশ টা কেপে উঠলো। তারপরে খেয়াল করলাম শুধু এক পা নয় ওনার একটা হাত ও অচল। এবার আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারছিলাম না। নিজেকে অপরাধী মনে হতে লাগলো। আমি রিক্সা থামিয়ে নেমে যেতে চাইলাম। উনি পা জরিয়ে ধরলেন। বললো না বাবা, নামবেন না। সবাই নেমে গেলে ছেলে মেয়ে বউ নিয়ে কি খাবো? উত্তর দিতে পারি নাই। শুধু হু হু করে কেদেছি। যখন ওনার সব খোজ খবর নিলাম। ফোন নাম্বার একাউন্ট নাম্বার নিয়ে বললাম, আপনার জন্য কিছু করার চেস্টা করবো। উনি আমাকে জরিয়ে ধরে হাউমাউ করে কাদতেছিলেন। ওনার ঘর্মাক্ত শরীরকে একটা বারের জন্য দূরে সরাতে ইচ্ছা করে নাই। মনে হচ্ছিলো নিজেকে শুদ্ধ করছি।ওনার নাম তারা মিয়া। বারি নেত্রকোনা'র দুর্গাপুর এ। এক ছেলে আর এক মেয়ে। মেয়ে টা অনার্স ১ম বর্সে পরে। আর ছেলেটা ৯ম শ্রেনীতে। ওনার ইচ্ছা দুর্গাপুর এ একটা চা'য়ের দোকান দেয়া। তাতে নাকি ১৫/২০ হাজার টাকা দরকার। উনি রিক্সা চালিয়ে ৪৫০০ টাকা জমিয়েছেন। আমরা তো অনেক ভাবেই কতো টাকা খরচ করি। এবার না হয় মানবতার জন্য কিছু করি।(৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সাহায্য গ্রহন করে, জানুয়ারি মাসে ওনার হাতে তুলে দিতে চাই। বিচ্ছিন্নভাবে না দিয়ে সবার সাহায্য একত্রিত করে দিতে চাই। তাই কেউ যদি সাহায্য করতে চান তাহলে এই 01722025117 নাম্বারে বিকাশ করে দিবেন এবং কমেন্ট করে বা ইনবক্সে জানিয়ে দিবেন প্লিয)জয় হোক মানবতার। জয় হোক তারা মিয়াদের ।ভিডিওটা করেছি শুধুমাত্র ওনার অবস্থা টা বোঝানোর জন্য।

Posted by Roy Jayonto on Friday, December 7, 2018


Comments are closed.




© All rights reserved © 2018 sangbaderpata.Com
কারিগরি সহায়তায় ইঞ্জিনিয়ার বিডি