সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০৯:০৭ অপরাহ্ন

ব্রেকিং
জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদের পাতায় আপনাকে স্বাগতম
এসএসসি টেস্ট পরীক্ষায় এক স্কুলে ৩৮ শিক্ষার্থী অংকে পেয়েছে শূন্য

এসএসসি টেস্ট পরীক্ষায় এক স্কুলে ৩৮ শিক্ষার্থী অংকে পেয়েছে শূন্য

এসএসসি টেস্ট পরীক্ষায় এক স্কুলে ৩৮ শিক্ষার্থী অংকে পেয়েছে শূন্য

Spread the love

ঝিনাইদহ জেলার এক স্কুলে ২৮০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে অংকে ৩৮ জন পেয়েছেন ০ নম্বার। আবার কেউ পেয়েছে ০১ নম্বার, কেউ পেয়েছে ০৫, আবার কেউ বা পেয়েছে ০৭ নম্বার। এমন রয়েছে আরো ৯০ জন। সব মিলিয়ে এসএসসি টেস্ট পরীক্ষায় অংকে ফেল করেছে ১২৭ জন।

এ ঘটনা জেলার মহেশপুর উপজেলার খালিশপুর বহুমুখি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। অংকে সাবজেটে ফেলার করার পরেও স্কুল কর্তৃপক্ষ বোর্ডে আবেদন করে তাদের ফেলকৃতদের পুনরায় টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে তাদের উত্তীর্ণ দেখিয়ে এসএসসিতে ফরমপূরণ করিয়েছে। বিষয়টি জানাজানির পর চক্ষু চড়কগাছে উঠার মতো।

সত্যতা স্বীকার করে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোশাররফ হোসেন বলেন, খালিশপুর বহুমুখি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এবার নিয়মিত ২৮০ জন ও অনিয়মিত ৬৫ জন শিক্ষার্থী ২০১৯ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবার জন্য টেস্ট পরিক্ষা দিয়েছিল। এর মধ্যে শুধুমাত্র অংকে ফেল করেছে ১২৭ জন। ৩৮ জন পেয়েছে মাত্র ০ নম্বার। তিনি বলেন, এটা ভাবতেও পারিনি এতজন শিক্ষার্থী শুধু অংকে ফেল করবেন।

প্রধান শিক্ষক বলেন, আমি গণিতের শিক্ষকদের বার বার সতর্ক করেছি। তারপরও তারা মনোযোগী হয়নি। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন বলে তিনি জানান।

প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, ছাত্ররা ক্লাসে আসে না। তারা সর্বক্ষণ মোবাইল ও ফেসবুক নিয়ে ব্যস্ত থাকে। বিষয়টি তাদের অভিভাবকদের বার বার বলা হলেও তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারেনি। তবে অভিভাবকরা স্কুলের গণিতের শিক্ষকদের দায়ী করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছেন।

তিনি বলেন, এসএসসিতে এত পরিমাণ শিক্ষার্থী অংকে ফেল করায় আমরা বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নিয়ে মিটিং করি। সেখানে অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন। পরে একটি রেজুলেশন করে বোর্ডের কন্টোলারকে দিয়ে সেই ফেলকৃত শিক্ষার্থীদের আবার পুনরায় অংকে টেস্ট পরীক্ষা নিয়েছি। এর মধ্যে বেশ কয়েকজন উত্তীর্ণ হয়েছে। সব মিলিয়ে এবার এ স্কুল থেকে ৩২৪ জন ফরমপূরণের সুযোগ পেয়েছে।

বিষয়টি ঝিনাইদহ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সুশান্ত কুমার দেব জানান, এবার এসএসসির ফরম পুরণ নিয়ে বোর্ডের কড়া নির্দেশনা ছিল। টেষ্টে একটি বিষয়ে ফেল করলেও তাকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না। তারপরও যে বিষয়ে ছাত্ররা ফেল করবে সেই বিষয়ের শিক্ষকদের পানিশমেন্ট দেওয়ার বিধান রয়েছে। তিনি বলেন, যদি এমনটি হয়ে থাকে তবে তার দায়ভার ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষককেই নিতে হবে।


Comments are closed.




© All rights reserved © 2018 sangbaderpata.Com
কারিগরি সহায়তায় ইঞ্জিনিয়ার বিডি