শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:৫১ অপরাহ্ন

সংবাদের কোন রং হয় না
জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদের পাতায় আপনাকে স্বাগতম
প্রার্থীর কর্মীকে হাতুরি দিয়ে পিটিয়ে আঙুল কেটে নেওয়ার অভিযোগ

প্রার্থীর কর্মীকে হাতুরি দিয়ে পিটিয়ে আঙুল কেটে নেওয়ার অভিযোগ

প্রার্থীর কর্মীকে হাতুরি দিয়ে পিটিয়ে আঙুল কেটে নেওয়ার অভিযোগ

Spread the love

মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুর সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যানের কর্মী হবি মাতুব্বরকে (৫৫) হাতুরি দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়া অপর কর্মী চন্দ্রবান বেগমকে (৫০) আঙ্গুল কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি শুক্রবার সন্ধ্যায় কালিকাপুর ইউনিয়নের হোসনাবাদ গ্রামে ঘটেছে। আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতাল ও আহতের স্বজনরা জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে কালিকাপুর ইউনিয়নের হোসনাবাদ গ্রামের বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান ও ঘোড়া মার্কার স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এজাজুর রহমান আকনের কর্মী হোসনাবাদ গ্রামের লতিফ মাতুব্বরের ছেলে হবি মাতুব্বর (৫৫) নিজ এলাকায় ঘোড়া মার্কায় পক্ষে কাজ করার সময় নির্বাচনে অংশ নেয়া আনারস প্রতীকে আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু তালেব বেপারীর কর্মী সমর্থক কালু বেপারী, বেলায়েত হোসেন ও দেলোয়ার খানসহ বেশ কয়েকজন মিলে হবি মাতুব্বরকে ধাওয়া দেয়। এতে দ্রুত দৌড়ে হবি পাশের মৃত সোহরাব মাতুব্বরের ঘরে আশ্রয় নিতে ঢুকে পড়ে।

এসময় ঘরের ভেতরে ঢুকে আবু তালেব বেপারীর কর্মী সমর্থকরা ব্যাগে করে আনা হাতুড়ি দিয়ে হবি মাতুব্বরকে বেধড়ক ভাবে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে। এসময় ঘরে থাকা চন্দ্রবানু বেগম মারধর ফেরাতে গেলে অন্যদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্রের আঘাতে চন্দ্রবান বেগমের ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুল প্রায় সম্পূর্ণ কেটে যায়।

আহত হবি মাতুব্বরের ভাই বাচচু মাতুব্বর বলেন, আমরা বর্তমান চেয়ারম্যান এজাজ আকনের নির্বাচন করি। সেই কারণেই আমার ভাইকে আবু তালেব বেপারীর লোকজন হামলা করে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়েছে। সেই সাথে চন্দ্রবান ভাবীও আমাদের সমর্থক সেও গুরুতর ভাবে আহত। তার একটি আঙুল কেটে গেছে। হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে থানায় মামলা করতে যাব।

এদিকে আহত চন্দ্রবান বেগম বলেন, ‘আমি ঘরের ভেতরে বসে পান খাচ্ছিলাম। হঠাৎ আমাদের ঘরে হবি মাতুব্বর এসে ঢুকলে সাত-আট জন লোক আমাদের ঘরে ঢুকে হবিক হাতুড়ি দিয়ে পেটাতে শুরু করে। আমি ছাড়াতে গেলে আমাকেও কোপ দেয়। আমার একটি আঙুল কেটে গেছে।

মাদারীপুর থানার ওসি কামরুল ইসলাম মিঞা জানিয়েছেন, কালিকাপুর ইউনিয়নে একটি মারামারির খবর পেয়েছি। তবে এখনো পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।


Comments are closed.




© All rights reserved © 2018 sangbaderpata.Com
কারিগরি সহায়তায় ইঞ্জিনিয়ার বিডি